এবার বেইজিং মিশনে মির্জা ফখরুল: ২০ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল চীন সফরে যাচ্ছে
কূটনৈতিক প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ (সিনিয়র ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজিস্ট )
ঢাকা, ৮ এপ্রিল ২০২৬: ভারতের সাথে কূটনৈতিক বরফ গলার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার চীনের সাথে কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারে নামছে বর্তমান সরকার। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) বিশেষ আমন্ত্রণে আগামী ১৬ এপ্রিল বেইজিং সফরে যাচ্ছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২০ সদস্যের এই প্রতিনিধিদলটি ২১ এপ্রিল পর্যন্ত অবস্থান করে দুই দেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ রোডম্যাপ চূড়ান্ত করবে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান নিশ্চিত করেছেন যে, সফরকালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বাধীন দলটি সিপিসি’র আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ জিয়ানচাওর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করবেন। এই সফরে দুই দলের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বিশেষ করে বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে চীনা বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হবে।
এই সফরে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রী ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের একটি ভারসাম্যপূর্ণ তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। মির্জা ফখরুল ছাড়াও এই দলে থাকছেন:
উপদেষ্টা ও নেতা: মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ (প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা), আলতাফ হোসেন চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু এবং আসাদুজ্জামান রিপন।
জ্যেষ্ঠ নেতৃত্ব: খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল এবং বেবী নাজনীন।
ভিক্টিম পরিবার ও ছাত্র নেতৃত্ব: উল্লেখযোগ্যভাবে এই দলে স্থান পেয়েছেন 'মায়ের ডাক'-এর সমন্বয়ক সানজিদা তুলি এবং ছাত্রদলের আমানুল্লাহ আমান, যা ইঙ্গিত দেয় যে চীন এবার বাংলাদেশের মানবাধিকার ও ছাত্র আন্দোলনের শক্তির সাথেও সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে আগ্রহী।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গতকাল দিল্লি সফরে তারেক রহমানের চিঠির পর আজকের এই চীন সফরের ঘোষণা প্রমাণ করে যে বর্তমান সরকার কোনো নির্দিষ্ট ব্লকে না গিয়ে ‘ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি’ (Balanced Diplomacy) বজায় রাখতে চায়। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী হিসেবে মির্জা ফখরুলের এই সফর গ্রাম পর্যায়ে চীনের কারিগরি সহায়তা পাওয়ার পথ সুগম করবে।
বিডিএস অ্যানালাইসিস: ২০২৬ সালের এই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে মির্জা ফখরুলের বেইজিং সফরটি অত্যন্ত কৌশলগত। চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী। বর্তমান সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে চীনের সমর্থন আদায় এবং তিস্তা প্রকল্পের মতো বড় প্রকল্পে চীনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করাই হবে এই সফরের মূল লক্ষ্য। ‘এক পা এক পা’ করে সরকার যেভাবে দিল্লি ও বেইজিংকে আস্থায় নিচ্ছে, তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক।
| বিষয়ের ক্ষেত্র | বিস্তারিত বিবরণ |
| নেতৃত্ব | মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বিএনপি মহাসচিব ও মন্ত্রী)। |
| প্রতিনিধি সংখ্যা | ২০ সদস্য বিশিষ্ট। |
| আমন্ত্রণকারী | আন্তর্জাতিক বিভাগ, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (CPC)। |
| প্রধান বৈঠক | লিউ জিয়ানচাও (সিপিসি মন্ত্রী) এর সাথে। |
| বিশেষ অন্তর্ভুক্তি | মায়ের ডাক-এর সমন্বয়ক ও ছাত্র নেতৃবৃন্দ। |
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |